ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার (Payoneer) একাউন্ট কিভাবে খুলব
বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ অনলাইনে বিভিন্ন প্লাটফর্মে কাজ করে থাকে। যেমন- Upwork, Amazon, Fiverr ইত্যাদি। এই কাজগুলো বিভিন্ন দেশে বিদেশে অনলাইন এর মাধ্যমে নেওয়া হয়ে থাকে।
আর অনলাইন থেকে আয় করার ডলারটি টাকাতে রুপান্তরিত করার সহজ মাধ্যমে হচ্ছে পিওনিয়ার (payoneer)। বিভিন্ন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা পেওনিয়ারের মাধ্যমে ডলার আদান প্রদান করতে পারে। সুতরাং payoneer সম্পর্কে এই ব্লগে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
সূচিপত্র: ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার (Payoneer) একাউন্ট কিভাবে খুলব
- পেওনিয়ার (payoneer) কি
- পেওনিয়ার (payoneer) কাজ কি
- পেওনিয়ার একাউন্ট এর জন্য কি কি তথ্য লাগবে
- পেওনিয়ার একাউন্ট কিভাবে খুলতে হবে
- পেওনিয়ার একাউন্ট ব্যবহারের নিয়মাবলি
- পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে যেসব সুবিধা পাওয়া যায়
- ডলার রিসিভের পরে পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে টাকা তোলার উপায়
- পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে বিকাশে টাকা আনার উপায়
- ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট এর গুরুত্ব
- পেওনিয়ার একাউন্ট ব্যবহারকারীদের সমস্যা ও সমাধান
- পেওনিয়ার একাউন্টের চার্জ নিয়ে একটি টেবিল
- শেষ কথা বা উপসংহার
পেওনিয়ার (payoneer) কি
পেওনিয়ার (payoneer) হচ্ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন প্লাটফর্ম। এর সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। বিশ্বের অনেক দেশে এরা সেবা দিয়ে আসছে এবং ফ্রিল্যান্সার ও আন্তর্জাতিক ব্যবসার জন্য জনপ্রিয় পেমেন্ট হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার, ই-কমার্স বিক্রেতা এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য পেওনিয়ার একটি অপরিহার্য সেবা। এর মাধ্যমে Upwork, Fiverr, Freelancer, Amazon এর মতো অসংখ্য আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস থেকে খুব সহজে ও নিরাপদে প্রেমেন্ট গ্রহণ করা যায়।
পেওনিয়ার (payoneer) কাজ কি
এটি মূলত আপনাদের বিভিন্ন দেশের মুদ্রায় লেনদেন করার জন্য ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট খুলে দেয়। এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন দেশের ডলার থেকে এই দেশের টাকাতে রূপান্তরিত করে নিতে পারেন। পেওনিয়ার এর কাজ সম্পর্কে কিছু ধারনা দেয়া হলো:
ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট: পেওনিয়ার আপনাদেরকে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ইউকে, কানাডা, জাপানের, কোরিয়া, চীন এমন আরও দেশগুলোকে লোকাল ব্যাংক একাউন্টের মত করে পেমেন্ট দিয়ে থাকে।
এক অ্যাকাউন্ট থেকে আরেক অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর: পেওনিয়ার থেকে পেওনিয়ার একাউন্টে বিনামূল্যে টাকা পাঠানো যায় ছাড়া আপনি আপনাদের পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে লোকাল ব্যাংক একাউন্ট বা বিকাশে টাকা ট্রান্সফার করতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে বিকাশে টাকা পার করার টিপস
আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গ্রহণ: বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মার্কেটপ্লেসে কাজ করে যেমন- Amazon, Fiverr, Upwork ইত্যাদি থেকে সরাসরি আপনার পেওনিয়ার একাউন্টে টাকা নিতে পারেন।
পেওনিয়ার একাউন্টের মাস্টার কার্ড: আপনারা ভার্চুয়াল পেওনিয়ার একাউন্ট এর মাস্টারকার্ড এর জন্য আবেদন করতে পারেন, যা বিশ্বব্যাপী অনলাইন বা দোকানে কেনাকাটা পেমেন্ট এবং এটিএম থেকে নগদ টাকা তুলতে ব্যবহার করে।
পেওনিয়ার একাউন্ট এর জন্য কি কি তথ্য লাগবে
ব্যক্তিগত তথ্য:
আপনার নাম জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্ট অনুযায়ী নামে বানান হুবহু হতে হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্ট অনুযায়ী জন্মতারিখ দিতে হবে।
আপনাদের বর্তমান ঠিকানা, জেলা ও পোস্টকোড সহ উল্লেখ করতে হবে।
আপনার ব্যক্তিগত সক্রিয় মোবাইল নাম্বার এবং ই-মেইল ঠিকানা প্রয়োজন হবে, যা ভেরিফিকেশনের জন্য ব্যবহিত হবে।
প্রয়োজনীয় তথ্য সমূহ:
জাতীয় পরিচয় পত্র বা NID কার্ডের সামনের ও পিছনের অংশের রঙিন ও স্পষ্ট ছবি,বিকল্প হিসেবে পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবহার করা যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত যেকোনো ব্যাংকের একটি একাউন্ট হবে। ব্যাংক একাউন্টের নামটি অবশ্যই আপনার NID এবং payoneer একাউন্টে নামের সাথে যুক্ত হবে।
ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য সাম্প্রতিকভাবে কোন ইলেকট্রিসিটি বিলের কপি বা ব্যাংক স্টেটমেন্টের প্রয়োজন হতে পারে।
বিজনেস একাউন্টের ক্ষেত্রে তথ্য:
ট্রেড লাইসেন্স বা কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দিতে হবে।
ব্যবসার ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার (TIN) দিতে হবে।
আরো পড়ুনঃ পেওনিয়ার একাউন্ট সম্পর্কে জানতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন
পেওনিয়ার একাউন্ট কিভাবে খুলতে হবে
পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ওপেন করার জন্য আপনাকে কিছু স্টেপ ফলো করতে হবে। এই স্টেপগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
প্রথম স্টেপ: পেওনিয়ার ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে
পেওনিয়ার ওয়েবসাইট ভিজিট করে Sing Up বাটনে ক্লিক করতে হবে।
দ্বিতীয় স্টেপ: পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট এর ধরন সিলেক্ট করা
পেওনিয়ার একাউন্ট সাধারণত দুই ধরনের হয়। যেমন- Individual Payoneer Account ও Company Payoneer Account.
ব্যক্তিগত / Individual একাউন্ট খুলতে চাইলে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে।
ব্যবসা / Company অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে আপনার প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স এবং ইনকাম ট্যাক্সের তথ্য জমা দিতে হবে।
তৃতীয় স্টেপ: ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে
একাউন্টে ধরেন সিলেক্ট করে Next ক্লিক করলে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার জন্য একটি ফরম আসবে সেখানে আপনার নাম, ই-মেইল, জন্ম তারিখ সবকিছু সঠিকভাবে পূরণ করে Next ক্লিক করতে হবে।
চতুর্থ স্টেপ: যোগাযোগের তথ্যসমূহ দিতে হবে
এই ফরমে আপনার যোগাযোগের জন্য যা লিখা আছে সবকিছু দিতে হবে আপনার দেশ, আপনার মোবাইল নাম্বার, যেখানেই থাকেন ওই স্থানের নাম সবকিছু সুন্দর করে লিখে দিতে হবে অবশ্যই সঠিক তথ্য দিতে হবে। আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রে যে ঠিকানা দেওয়া আছে সেভাবে দিবেন এবং Next ক্লিক করবেন।
পঞ্চম স্টেপ: পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে
আপনার পেওনিয়ার একাউন্ট নিরাপদের জন্য শক্ত একটা পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। সিকিউরিটি সম্পর্কিত প্রশ্ন সেট করতে হবে। Next click করতে হবে।
ষষ্ঠ স্টেপ: আপনার পার্সোনাল ব্যাংক ইনফরমেশন দিতে হবে
পেওনিয়ার একাউন্ট এর মাধ্যমে আসা ডলার আপনার কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে গ্রহণ করবেন সেই ব্যাংক ইনফরমেশন এখানে সিলেক্ট করে এড করে দিতে হবে। সবগুলো agree দিয়ে submit ক্লিক করুন।
সপ্তম স্টেপ: একাউন্ট ভেরিফিকেশন দিতে হবে
পেওনিয়ার থেকে আপনার দেওয়া ই-মেইল এড্রেসে একটি ভেরিফিকেশন ই-মেইল আসবে। নির্দেশনা দেওয়া থাকবে সেগুলো ফলো করে আপনার একাউন্ট সম্পন্ন করতে হবে। এখন আপনি চাইলে আপনার একাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন।
আরো পড়ুনঃ কিভাবে ইমেল একাউন্ট খুলতে হয় জানতে ক্লিক করুন
পেওনিয়ার একাউন্ট ব্যবহারের নিয়মাবলি
অনেক ক্ষেত্রে নতুনরা পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে ভয় পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ভয় পাওয়ার কিছু নেই আপনি চাইলে খুব সহজভাবেই পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন।
এই একাউন্টের ডলার থেকে বিকাশে বা ব্যাংকের মাধ্যমে মাস্টার কার্ডের জন্য আবেদন করে কার্ড ব্যবহার করতে পারেন। এই কার্ড দিয়ে আপনি যখন আপনার ইচ্ছামত টাকা উত্তোলন করতে পারেন এবং খরচ করতে পারেন। এ কার্ড দিয়ে আপনি শপিংও করতে পারেন।
পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে বিকাশে টাকা আনা যায়।বিকাশ অ্যাপ থেকে রেমিট্যান্স এর মাধ্যমে পেওনিয়ার এখন থেকে টাকা বিকাশে আনা সম্ভব হয়।
পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে যেসব সুবিধা পাওয়া যায়
- বিভিন্ন দেশের মুদ্রা যেমন- USD, EUR, CAD ইত্যাদি পেমেন্ট গ্রহণ করা যায়।
- আপনার উপার্জিত অর্থ সরাসরি নিজের ব্যাংক একাউন্টে নিতে পারবেন।
- পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে bKash একাউন্টে টাকা আনা সম্ভব হয়।
- পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড দিয়ে বিশ্বের যে কোন দেশে ATM থেকে নগদ টাকা তোলা যায়।
- পেওনিয়ার একাউন্ট সম্পূর্ণ ফ্রিতে খোলা যায়।
- নির্দিষ্ট পরিমাণ লেনদেন করলে বার্ষিক ফি মওকুফ থাকে। আর যদি লেনদেন বন্ধ থাকে তাহলে বার্ষিক চার্স প্রযোজ্য হয়।
ডলার রিসিভের পরে পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে টাকা তোলার উপায়
- ব্যাংক ট্রান্সফার: পেওনিয়ার থেকে আপনার বাংলাদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।
- বিকাশের (BKash) মাধ্যমে: বর্তমানে পেওনিয়ার থেকে সরাসরি বিকাশে টাকা আনা যায়। বিকাশ অ্যাপ এ লগইন করে রেমিটেন্স অপশন থেকে প্রিমিয়ার সিলেক্ট করে টাকা তুলতে পারবেন।
- পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড: এই মাস্টার কার্ড দিয়ে আপনি যেকোনো ATM এ টাকা তুলতে পারবেন। এমনকি অনলাইন শপিংও করতে পারবেন।
পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে বিকাশে টাকা আনার উপায়
পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে বিকাশে টাকা আনা খুবই সহজ। এই প্রক্রিয়াটি বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। যেমন:
- বিকাশ অ্যাপটি প্রথমে লগইন করতে হবে।
- আপনার বিকাশ একাউন্টে পিন দিতে হবে।
- বিকাশ অ্যাপ এ হোম স্ক্রিনে "More" এ "Remittance" অপশনটি বের করতে হবে।
- রেমিটেন্স অপশনে গিয়ে পেওনিয়ার নির্বাচন করতে হবে।
- পেওনিয়ার একাউন্টটি বিকাশ একাউন্ট এর সাথে লিংক করতে হবে।
- প্রিমিয়ার অপশন সিলেক্ট করার পর পেওনিয়ার একাউন্ট লিংক করুন ফোনের অপশন দেখতে পাবেন।
- সেখানে ট্যাপ করলে আপনাকে পেওনিয়ার লগইন পেজে নিয়ে যাবে।
- আপনার পেওনিয়ার একাউন্ট এর ইউজার ইমেইল করতে হবে। পেওনিয়ার একাউন্টে একটি ওয়ান টাইম OTP কোর্ড যাবে।
- OTP ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে, একবার ভেরিফিকেশন সফল হলে বিকাশ একাউন্টে পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট সফলভাবে লিঙ্ক হয়ে যাবে।
আর এভাবেই পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে বিকাশ একাউন্টে টাকা আনা যায়।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট এর গুরুত্ব
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অ্যাকাউন্ট। এটি অসংখ্য আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস থেকে সহজে ডলার পেমেন্ট গ্রহন করতে সাহায্য করে। যা দেশে অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।
বিশেষ করে বিকাশের সাথে সরাসরি ইন্টিগ্রেশন থাকায় বাংলাদেশের মানুষের পেওনিয়ার আরো সহজ করে তুলেছে। তাই পেওনিয়ার শুধু একটি পেমেন্ট সলিউশন নয়, বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে এটি অপরিহার্য ভুমিকা পালন করে।
আরো পড়ুনঃ বিকাশ একাউন্ট খুলতে যা যা তথ্য প্রয়োজন
পেওনিয়ার একাউন্ট ব্যবহারকারীদের সমস্যা ও সমাধান
পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীদের কিছু সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। যেমন-
অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই হতে দেরি: আপনার NID কার্ডের ছবি পরিষ্কার, রঙিন ও সম্পূর্ণ ছবি দেখা যাচ্ছে কিনা তার লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি পাঁচ দিনের বেশি সময় লাগে তাহলে পেওনিয়ার সাপোর্টে যোগাযোগ করুন।
বিকাশে টাকা না আসা: আপনার পেওনিয়ার এবং বিকাশ একাউন্ট একই জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে খোলা হয়েছে কিনা এবং এক আছে কিনা তা যাচাই করুন।
ব্যাংক একাউন্টের সমস্যা হলো: যদি আপনার পেওনিয়ার একাউন্টের এবং ব্যাংক একাউন্টের নাম এক না থাকে, সে ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
পেওনিয়ার একাউন্ট লক হয়ে যাওয়া: কোন কারনে অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে গেলে তাৎক্ষণিক support@payoneer.com এ ই-মেইল করুন, অথবা লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন।
পেওনিয়ার একাউন্টের চার্জ নিয়ে একটি টেবিল
| সেবা | চার্জ |
|---|---|
| রেজিস্ট্রেশন | সম্পন্ন ফ্রি |
| বার্ষিক ফি | একাউন্ট নিষ্ক্রিয় রাখলে ($29.90) |
| পেওনিয়ার থেকে পেওনিয়ার পেমেন্ট | ফ্রি |
| ব্যাংকে টাকা উত্তোলন | প্রায় ২% (এক্সেঞ্জ রেটের ওপর নির্ভর) |
| বিকাশে টাকা উত্তোলন | প্রায় ৩% |
| ATM থেকে টাকা উত্তোলন | $৩.১৫% + চার্জ |
| ক্রেডিট কার্ড থেকে পেমেন্ট | ৩% |
| মুদ্রা পরিবর্তন | ০.০৫% থেকে ৩.৫% |
শেষ কথা বা উপসংহার
সঠিক তথ্য ও ডকুমেন্টস থাকলে বাংলাদেশে পেওনিয়ার একাউন্ট খোলা খুবই সহজ। বিকাশের সাথে সরাসরি লেনদেনের সুবিধা থাকায় ফ্রিল্যান্সার এবং অনলাইন উদ্যোক্তাদের জন্য আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
যদি আপনি আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকেন বা বিদেশি ক্লায়েন্টদের থেকে পেমেন্ট গ্রহণ করতে চান, তাহলে পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট আপনার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য একাউন্ট হতে পারে।
সপ্নপূরণ আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন, প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়
comment url