ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার পদ্ধতি
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার অনেকভাবে একাউন্ট খোলা হয়। ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নিরাপদ মাধ্যম হলো সরাসরি পেওনিয়ার ও ব্যাংক একাউন্ট থেকে। বর্তমান সময়ে কিন্তু অনলাইন থেকে জব করে ইনকাম করা বাংলাদেশের তরুণ ও তরুণীদের কাছে অত্যন্ত বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ডলার ইনকাম করছে। আর আপনার সেই ইনকাম করা ডলার নিরাপদে আর কন খরচে দ্রুত বাংলাদেশে আনার সঠিক মাধ্যম জানা কিন্তু খুবই প্রয়োজনীয়।
পেওনিয়ারের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ও আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্ট থেকে খুব সহজে ডলার রিসিভ করে এবং তা সরাসরি বাংলাদেশী টাকায় ব্যাংকে স্থানান্তর করা যায়। বর্তমানে পেওনিয়ার একাউন্টের মতো এমন আরো একাউন্ট আছে যা ডলার রিসিভ করতে সাহায্য করে, যেমন- PayPal, Wise, Binance, Skrill,USDT এইসব মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ডলার পেমেন্ট ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিভাবে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার অ্যাকাউন্ট খোলা যায় তা ধাপে ধাপে আলোচনা করা হবে।
পোষ্টের সূচিপত্র: ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার অ্যাকাউন্ট পদ্ধতি
- ডলার রিসিভ করার জন্য বিভিন্ন একাউন্ট সম্পর্কে জানা
- ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা তুলতে যা যা প্রয়োজন
- যেসকল একাউন্টের মাধ্যমে ডলার রিসিভ করবেন
- ফ্রিল্যান্সাররা ডলার থেকে যেভাবে টাকাতে ট্রান্সফার করবেন
- পেওনিয়ার একাউন্ট সম্পর্কে সম্পূর্ণ জানা
- কিভাবে পেওনিয়ার কাজ করবে
- পেপাল (Paypal) থেকে ডলার রিসিভ করার টিপস
- শেষ কথা: ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার পদ্ধতি
ডলার রিসিভ করার জন্য বিভিন্ন একাউন্ট সম্পর্কে জানা
অনলাইনে বিভিন্ন কাজের দক্ষতায় ফ্রিল্যান্সাররা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে থাকে। এক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের মুদ্রাকে এই দেশের টাকাতে রূপান্তরিত করার জন্য বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট বা মাধ্যম আছে। এসব অ্যাকাউন্ট দ্বারা এক দেশের ডলার আরেক দেশে স্থানান্তর করা যায়।
আরো পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সারদের ডলার কিভাবে রিসিভ করবে এই নিয়ে বিস্তারিত জানুন
আর এসব একাউন্ট সম্পর্কে ফ্রিল্যান্সাররা ভালো করে খোঁজ নিয়ে তারা তাদের কাঙ্খিত অ্যাকাউন্টটি খুলে এবং তাদের উপার্জিত আয় ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে গ্রহণ করে। সাধারণভাবে ডলার রিসিভ করার জন্য আমরা বিভিন্ন রকম অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে জানি। যেমন- Payoneer, Paypal, Skrill, Binance, Wise ইত্যাদি এসব একাউন্টের মাধ্যমে অনলাইন আউটসোর্সিং এর বিভিন্ন কাজের আয় গ্রহণ করে থাকি।
ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা তুলতে যা যা প্রয়োজন
অনলাইনের মাধ্যমে আয় করে আপনি বিভিন্ন উপায়ে ডলার রিসিভ করতে পারেন। আবার ডলারকে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে তুলতে পারেন। এই বিষয়গুলো নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো:
প্রথমে আপনার একটি ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে। ব্যাংকের নাক ও ঠিকানা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নাম্বার এবং সেই ব্যাংকের Swift code নাম্বার দিতে হবে।
আপনি যে একাউন্টে বা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা তুলবেন, সেই ব্যাংকটি অবশ্যই ইন্টারন্যাশনালি ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা থাকতে হবে। যেমন: Bank Asia, Brac Bank, Islami Bank, DBBL ইত্যাদি। এই ব্যাংকগুলোতে ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা রয়েছে।
আপনি যে দেশের ফিল্যান্সিং সাইটে কিংবা যে মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন সে দেশের একটি ব্যাংকের নাম সংগ্রহ করুন। যেটা মধ্যস্থকারী ব্যাংক হিসেবে কাজ করবে। তারপর আপনি আপনার ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করে জানুন সেই ব্যাংকগুলোর সাথে আপনার ব্যাংকের যোগাযোগ আছে কিনা, আর কোন ব্যাংকের সাথে লেনদেন করে থাকে।
তারপর আপনাকে আপনার মধ্যস্থকারী ব্যাংকের রাউটার নাম্বার(Router number) সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাংকের ওয়েবসাইটে কিংবা গুগল এ সার্চ করে এই রাউটার নাম্বারটি পেয়ে যাবেন। অনেক দেশে এই নাম্বার কে অনেক নামের হয়ে থাকে, যুক্তরাষ্ট্রে এই নাম্বার কে বলে এবিএ রাউটিং (ABA Routing number)।
অবশেষে আপনার একাউন্টে আপনার উপার্জিত টাকা পৌঁছে যাবে। প্রতিবারের মতো টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে আপনার ৪-৮ ডলার খরচ হতে পারে।
যে সকল অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে ডলার রিসিভ করবেন
আমাদের দেশের সেরা কিছু অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমের নাম এবং কিভাবে ব্যবহার করা যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো :
- Skrill Account: আপনার টাকা মার্কেটপ্লেসে জমা হওয়ার পর সেই টাকাকে Skrill এ ট্রান্সফার করতে পারেন। এক্ষেত্রেও মার্কেটপ্লেস ভেদে আপনার কাছ থেকে ট্রান্সফার ফি কেটে নিতে পারে। তারপরে আপনার দেশের ব্যাংকের Swift code প্রয়োজন পড়বে। আর এই কোড না দেওয়া হলে Skrill থেকে আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হবে না। এই প্রক্রিয়াটি প্রথম লেনদেন ও ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে প্রায় ৩০ দিনের মতো সময় লেগে যায়। পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যেই হয়ে যায়, এক্ষেত্রে টাকা উত্তোলন করতে খরচ পড়ে ৩.৯৫ ডলার।
- Xoom Account: Xoom এর সাহায্যেও টাকা উত্তোলন করা যায়। সে ক্ষেত্রে আপনাকে গুগলে গিয়ে Xoom সার্চ দিতে হবে। তারপরে সেখানে একটা অ্যাকাউন্ট খুলে কোন মার্কেটপ্লেস থেকে টাকা ট্রান্সফার করে আপনার Xoom একাউন্টে আনতে চান সেইটা সিলেক্ট করুন। তারপর সেখান থেকে আপনার ব্যাংক একাউন্টে, নগদে, বিকাশে, উপায়ে ট্রান্সফার করে উত্তোলন করতে পারেন।
- Tap tap send Account: ট্যাপ ট্যাপ এর ক্ষেত্রে তো টাকা উত্তোলন করা আরো সহজ। তার জন্য আপনাকে প্রথমে গুগলে যেতে হবে, গুগলে গিয়ে Tap tap send লিখে সার্চ করতে হবে এবং তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে একটা একাউন্ট খুলতে হবে। আপনি কোন দেশে টাকা পাঠাবেন তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার লিখে সে সাথে আরও কিছু তথ্য দিয়ে টাকার পরিমান লিখে সেন্ড করে দিলে সেটা সরাসরি ব্যাংক একাউন্ট চলে যাবে। এখানে টাকা সেন্ড করতে অথবা টাকা উত্তোলন করতে কোন চার্জ দিতে হয় না। সুতরাং আপনি যতই ডলার উত্তোলন করতে চান না কেন Tap tap send হবে সবচেয়ে ভালো মাধ্যম।
আরো পড়ুনঃ ঘরে বসেই ওনলাইনে বিকাশ একাউন্ট খুলুন খুব সহজে
- ব্যাংক, বিকাশ, ইউপে, নগদ একাউন্টঃ আপনি এক বা একাধিক ক্লায়েন্টের সাথে বারবার কাজ করেন অর্থাৎ তারা যখন আপনার রেগুলার ক্লায়েন্ট হয়ে যাবে তখন আর তাদের সাথে ফাইভার কিংবা মার্কেটপ্লেস থেকে প্রজেক্ট না নিয়ে সরাসরি ইমেইলের মাধ্যমে প্রজেক্ট নিতে পারেন। ক্লায়েন্ট যদি বিদেশি হয় তাহলে সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করবেন এক্ষেত্রে উপরের মাধ্যম গুলোর প্রয়োজন হতে পারে। আর যদি বাংলাদেশী ক্লায়েন্ট হয় তাহলে বিকাশ, নগদ, বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারেন।
ফ্রিল্যান্সাররা ডলার থেকে যেভাবে টাকাতে ট্রান্সফার করবেন
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করা এবং ট্রান্সফার করার অনেক সুযোগ আছে। কিছু কিছু মার্কেটপ্লেস থেকে সরাসরি টাকা তোলা যায় না, সে টাকা কিছু অনলাইনে সার্ভিস যেমন বিভিন্ন ব্যাংক, কার্ড, এজেন্ট ব্যাংক সহ আরো অনেক ধরনের পদ্ধতির দ্বারা টাকা তোলা হয়। আপনার উপার্জিত টাকা আপনার বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসের upwork, freelancer, peopleperhour ইত্যাদি একাউন্টে ডলার হিসেবে জমা থাকে। যখন আপনার লেনদেন বা উত্তোলন করার প্রয়োজন পড়ে তখন ওপর একটি নির্দিষ্ট চার্জ কেটে নেয়া হয় নিজের দেশের ব্যাংকে হওয়ার পর সেখান থেকেও কাটতে পারে।
আপনি যেহেতু ইন্টারন্যাশনাল ভাবে লেনদেন করছেন সেহেতু Swift code এর প্রয়োজন হতে পারে। আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনার যে ব্যাংক একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে এনেছেন সে ব্যাংকের Swift code টি যেন আপনার মনে থাকে। আবার আপনি যদি ব্যাংকের Swift code টি কোনো কারন বশত ভুলে যান সে ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই ব্যাংকের কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করলে অথবা গুগলে সে ব্যাংকের নাম লিখে সার্চ দিলে Swift code পেয়ে যাবেন।
পেওনিয়ার একাউন্ট সম্পর্কে সম্পূর্ণ জানা
ফ্রিল্যান্সারদের ডলার রিসিভ করার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে পেওনিয়ার। পেওনিয়ার হল এক ধরনের আন্তর্জাতিক আর্থিক প্ল্যাটফর্ম। এটি মূলত অনলাইন লেনদেন এবং পেমেন্ট সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। পেওনিয়ার একাউন্ট ব্যবহারকারীদের জন্য ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট, মাস্টার কার্ড এবং দ্রুত আন্তর্জাতিক অর্থ এক দেশ থেকে আরেক দেশে বা এক স্থান থেকে আরেক স্থানে পাঠানোর সুবিধা প্রদান করে।
সহজভাবে বর্ণনা করলে, পেওনিয়ার হলো একটা আন্তর্জাতিক ব্যাংক একাউন্ট এর মত কিন্তু ব্যাংক নয়। আপনি বাংলাদেশে আছেন আর আপনার একজন ক্লায়েন্ট বিদেশে আছে। সে ক্লায়েন্ট আপনাকে তাদের দেশ থেকে সরাসরি আপনার বাংলাদেশের ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারছে না। এমনকি কোন উপায়ে টাকা অনেক চার্জ লাগছে। আর এখানেই পেওনিয়ারের কাজ মূলত প্রাধান্য পাই।
ইউনিয়ন আপনাকে একটা একাউন্ট খুলে দিবে, ওই অ্যাকাউন্টটি দেখতে বাইরে দেশের ব্যাংক একাউন্ট এর মতই হবে। আপনার ক্লায়েন্ট যখন টাকা পাঠাবে তখন তাদের দেশেই কোন এক বন্ধুকে টাকা পাঠাচ্ছে এমনটাই মনে করবে। কিন্তু ওই টাকাটা আপনার পেওনিয়ার একাউন্টে জমা হবে।
কিভাবে পেওনিয়ার কাজ করবে
ফ্রিল্যান্সারদের ডলার রিসিভ করার ক্ষেত্রে পেওনিয়ার আপনাকে বিভিন্ন দেশের মুদ্রায় লেনদেন করার জন্য ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট খুলে দেয়। আর আপনি এর মাধ্যমে খুব সহজেই টাকা উত্তোলন করতে পারেন। যেমন-
আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গ্রহণ: বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ক্লায়েন্ট বা মার্কেটপ্লেস (Fiverr, Upwork, Amazon) থেকে সরাসরি আপনার টাকা গ্রহণ করতে পারবেন।
আরো পড়ুনঃ পেওনিয়ার একাউন্টে লেনদেন কিভাবে করে জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন
পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড: আপনি একটি ভার্চুয়াল পেওনিয়ার মাস্টার কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। যা বিশ্বব্যাপী অনলাইন বা দোকানে কেনাকাটা, বিজ্ঞাপন পেমেন্ট এবং এটিএম থেকে টাকা উত্তোলন করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।
ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট: পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট আপনাকে বিভিন্ন দেশ থেকে লোকাল ব্যাংক একাউন্ট এর মতো করে পেমেন্ট রিসিভ করার সুযোগ করে দিবে।
চার্জ ফ্রি: সবচেয়ে বড় কথা, পেওনিয়ার থেকে পেওনিয়ার একাউন্টে বিনামূল্যে টাকা পাঠানো যায়। এক্ষেত্রে কোন অতিরিক্ত চার্জের প্রয়োজন হয় না। আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার লোকাল ব্যাংক একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।
পেপাল (Paypal) থেকে ডলার রিসিভ করার টিপস
আমাদের দেশে মোটামুটি অনেকগুলো জনপ্রিয় অনলাইন ব্যাংকিং এবং লেনদেন করার অনেক সুযোগ ও সুবিধা রয়েছে। ব্যাংকিং ব্যবস্থার অনুমোদন আমাদের দেশে থাকলেও পেপাল এর অনুমোদন এখনো পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। তাই অনেক সময় Paypal এ লেনদেন করার চেষ্টা করেন, তারা অনেক সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হন। তাই আজকে আমি আপনাদের বলবো পেপালের দ্বারা ব্যাংকের মাধ্যমে ট্রান্সফার করে সেটাকে বিকাশের মাধ্যমে উত্তলন করা যায়।
প্রথমে আপনি নিজের বিশ্বস্ত কারো মাধ্যমে কিংবা কোন অর্গানাইজেশন এর দ্বারা ইন্টারন্যাশনালি ভাবে একটা একাউন্ট খুলবেন। তারপর আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা পেপালে নিয়ে আসবেন। তারপর গুগলে যাবেন, সেখানে Xoom লিখে সার্চ করবেন। Xoom থেকে পেপাল লগইন করবেন। লগইন করার পর উইথড্র অপশনে গিয়ে আপনার দেশীয় ব্যাংক সিলেক্ট করবেন। দেশীয় ব্যাংক সিলেক্ট করার পর আপনার টাকার পরিমাণ লিখে সে ব্যাংকে ট্রান্সফার করে দিবেন।
এরপরে আপনার দেশীয় ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে বিকাশ সিলেক্ট করে বিকাশে সেন্ড মানি করে দেবেন। এখন আপনি চাইলে ব্যাংক অথবা উভয় জায়গা থেকে টাকা তুলতে পারবেন। তবে পেপালে অনেক ঝামেলা পার করতে হয়। এক্ষেত্রে আমি আপনাকে বলব পেপালের ঝামেলায় না জড়ানোর জন্য। বরং এর চেয়েও ভালো ব্যাংকিং মাধ্যম রয়েছে যেগুলোর সাহায্যে আপনি কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই আপনার মার্কেটপ্লেস থেকে টাকা তুলতে পারবেন।
শেষ কথা: ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার পদ্ধতি
পরিশেষে বলা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে ফ্রিল্যান্সারদের মেধা ও পরিশ্রমের কঠিন মূল্যায়ন পেতে একটি নিরাপদ ও আইনি উপায়ে ডলার রিসিভ করার একাউন্ট থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পেমেন্ট গেটওয়ে বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার না করলে উপার্জিত অর্থ আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই ক্যারিয়ারের শুরুতে আয়ের মাধ্যমটিকে বৈধ ও সুরক্ষিত প্রত্যেক ফ্রিল্যান্সারদের প্রথম দায়িত্ব হওয়া উচিত।
আরো পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সারদের কি কি অনলাইন প্রশিক্ষণ নেওয়া উচিত এই লিংকে দেখুন
বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং খাতকে উৎসাহিত করে উন্নত করতে বৈধ পথে আসা রেমিটেন্সের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। স্থানীয় ব্যাংকের ফ্রিল্যান্সার অ্যাকাউন্ট বা পেওনিয়ারের মত স্বীকৃত একাউন্টের মাধ্যমে টাকা দেশে আনলে একদিকে যেমন সরকারি কিছু সুবিধা পাওয়া যায় অন্যদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধিতেও সরাসরি অবদান রাখা সম্ভব।
বর্তমানে কোন একটি নির্দিষ্ট পেমেন্ট মিঠুদের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল না থেকে ব্যাকআপ হিসেবে বিকল্প মাধ্যম রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। মার্কেটপ্লেস বা ক্লায়েন্টের কাজের ধরন বুঝে পেওনিয়ার এবং লোকাল ফ্রিল্যান্সার ব্যাংক একাউন্টের উভয় মাধ্যম সচল রাখা উচিত। এটি আপনার ব্যবসায়িক লেনদেনকে যেমন গতিশীল রাখবে তেমনি যেকোন বৈশ্বিক পেমেন্ট জটিলতা থেকে আপনাকে মুক্ত রাখবে।



সপ্নপূরণ আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন, প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়
comment url