কিভাবে বাংলা আর্টিকেল লিখতে হয়
আর্টিকেল লিখার জন্য আমরা অনেক নিয়ম অনুসরণ করি। তার মধ্যে থেকে আমি কিছু নিয়ম
উল্লেখ করছি।
সূচিপত্রঃ আর্টিকেল লেখার সূচিপত্র নিচে দেওয়া হল
টপিক বা কি-ওয়ার্ড নির্বাচন করাঃ
আমরা কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখার সময় অবশ্যই ৩ থেকে ৬ বা ৭ কি-ওয়ার্ড দিবো। এমন কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করবো মানুষ যেন খুব সহজেই খুঁজে পায়।
আরো পড়ুনঃ আর্টিকেল লেখার সহজ পদ্ধতি
আর্টিকেল লেখার তিনটি অংশঃ
কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার জন্য আমরা তিনটি অংশ তুলে ধরবো।
- ভূমিকা / শিরোনামঃ আর্টিকেল লেখার শুরুতে যে ধারণা দেওয়া হয় সেই অংশকে শিরোনাম বলে।
- প্যারাগ্রাফ / মুল অংশঃ আর্টিকেল লেখার সময় আমরা ৩-৫ লাইনের প্যারাগ্রাফ তৈরি করি। এমন করে বেশ কয়েকটি প্যারাগ্রাফ তৈরির পর সেটাকে বলে মুল অংশ।
- উপসংহার / সারমর্মঃ আর্টিকেল শেষ করার জন্য যে কথাগুলো উল্লেখ করি সেটাই হচ্ছে উপসংহার।
সঠিক তথ্য খোঁজা ও তথ্য সম্পর্কে জানাঃ
আমরা কি বিষয়ের উপর আর্টিকেল লিখতে চায়, এইটা খুঁজে বের করতে হবে। আর এমন
একটা কি-ওয়ার্ড খুঁজে বের করতে হবে যেন পাঠকরা ওই কি-ওয়ার্ডের ওপর আগ্রহী।
এমনকি আমরা যে কি-ওয়ার্ডের ওপর ভালো করে রিসার্চ করে আর্টিকেল লিখতে হবে,
কেননা ওই আর্টিকেল পড়ে পাঠকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ধারণা খুঁজে পায়।
আরো দেখুনঃ অভ্র কি-বোর্ড দিয়ে লেখার কৌশল
শুদ্ধ ভাষা ও সাবলীল বাক্য ব্যবহার করাঃ
আর্টিকেল লেখার সময় অবশ্যই চলিত ভাষা ব্যবহার করতে হবে। বাক্যগুলো সুন্দর
সহজ ও ছোট করতে হবে। এতে পাঠক পড়ে যেনো আনন্দ পায় এবং বুঝতে পারে।
আর্টিকেল লেখার নিয়মঃ
আপনি যে বিষয়ের আর্টিকেল লেখবেন ওই বিষয় সম্পর্কে বই বা ইন্টারনেট থেকে
ধারণা নিতে পারবেন। কিন্তু কোন ওয়েবসাইট থেকে আর্টিকেল কপি করে নিতে
পারবেন না। সবকিছু থেকে ধারণা নিয়ে আপনি আপনার মত করে আর্টিকেল লিখতে
পারবেন।
শেষের অংশ / উপসংহারঃ
আপনার আর্টিকেল লেখা হলে আপনি পুনরায় আর্টিকেল পড়ে দেখবেন। যদি কোনকিছু ভুল
হয় তাহলে তৎক্ষণাৎ আপনি ঠিক করে নিতে পারবেন।
সপ্নপূরণ আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন, প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়
comment url